স্বাগতম ঢাকাস্থ আক্কেলপুরবাসী…

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
গঠনতন্ত্র
(সংগঠনের বিধিবিধান) ঢাকাস্থ আক্কেলপুরবাসী

heding-image.png

ধারা-১ঃ                                                                                                                                                        গঠনতন্ত্র PDF ডাউনলোড

  • সংগঠনের নাম (বাংলায়): ঢাকাস্থ আক্কেলপুরবাসী
  • সংগঠনের নাম (ইংরেজিতে): Dhakastho Akkelpurbashi.
  • সংগঠনের বাণী (স্লোগান): “প্রত্যাশার উচ্ছাসে মিলেছি প্রাণের বন্ধনে ঢাকার বুকে একটুকরো আক্কেলপুর তৈরিতে”
  • সংগঠনের বাণী (ইংরেজিতে): “In the excitement of hopes, we are united with the bond of our souls in the heart of Dhaka to create a little Akkelpur“

ধারা-২ঃ

  • সংগঠনের কার্যালয়: ৬৪/৩, সিদ্ধেশরী সার্কুলার রোড, শান্তিনগর, রমনা, ঢাকা-১২১৭ (অস্থায়ী)।

ধারা-

   ১) সমিতির কার্য এলাকা: রাজধানী ঢাকা সহ ইহার নিকটবর্তী এলাকা এবং রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত 

জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলা। ইহার কার্যμম সীমাবদ্ধ থাকিবে। তবে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন 

ক্রমে ইহার কার্যক্রম বৃদ্ধি করা যাবে। 

২) সমিতির ধরণ: ইহা একটি অরাজ‣নৈতিক, অলাভজনক, সমাজ কল্যাণমূলক, সামাজিক ও সাংস্কৃতকি সংগঠন হিসাবে ঢাকায় অবস্থান বা বসবাসকারী আক্কেলপুর উপজেলাবাসীর বৃহত্তর কল্যাণে কাজ করবে। 


ধারা-০৪

প্রতিষ্ঠা: “ঢাকাস্থ আক্কেলপুরবাসী” একটি সামাজিক সংগঠন। ঢাকায় বসবাসরত আক্কেলপুর উপজেলাবাসীদের জন্য সাধ্যানুযায়ী মানবিক ও জনকল্যান মূলক প্ল্যাটফর্ম। ২০১৮ সালে একটি ফেসবুক পোষ্টের মাধ্যমে ঢাকায় বসবাসকারী আক্কেলপুরবাসীদের একত্র করার উদ্দেশ্যকে সাধুবাদ জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল মাঠে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল আয়োজনের মাধ্যমে সর্বপ্রথম সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে কয়েক দফা উদ্যোগ নেয়া হলে অতিসামান্য যোগাযোগ ও আলোচনার অগ্রগতি হলেও বড়পরিসরে সার্বিক ভাবে ফলপ্রসু কোন আয়োজন ও জমায়েত সম্ভব হয়নি। অবশেষে ২০১৯ সালে ৫ই এপ্রিল শাহাবাগস্থ জাতীয় যাদুঘর মিলনায়তনে জাকজমক আয়োজন ও ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে আতœপ্রকাশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 


ধারা- ০৫   

সংগঠনের মনোগ্রাম: (১) “ঢাকাস্থ আক্কেলপুরবাসী” সংগঠনের চার কোন বিশিষ্ট কালো ও গাঢ়লাল রঙ পরিবেষ্টিত তিনজন মানব প্রতিকৃতি পরস্পর কাঁধে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার ছবি থাকবে, যেখানে ঢাকাস্থ আক্কেলপুরবাসী লেখা অংকিত আছে। এখানে পরস্পর কাঁধে হাত রাখার চিহ্ন একতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক।  


ধারা-৬ 

সংগঠনের আদর্শ, উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য :

১. ঢাকায় বসবাসকারী আক্কেলপুর উপজেলার স্থায়ী নিবাসীদের মধ্যে একতা, সৌহার্দ্য  ও ভ্রাতৃত্ববোধ স্থাপন ও একে অন্যকে সাহায্য সহযোগীতা করা।  

২. বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত উক্ত উপজেলার দরিদ্র মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদেরকে বৃত্তি প্রদান ও অন্যান্য সহযোগিতা করা। 

৩. বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্প্রসারণ ও নিরক্ষরতা দূরীকরনার্থে নারী, পুরুষ ও বয়স্কদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তার করা (নিবন্ধিকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে)। 

৪. শিশু কল্যাণে, যুব কল্যাণে, নারী কল্যাণ ও কিশোর অপরাধীদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা (সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে)। 

৫. সম্ভব হলে বিভিন্ন ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা এবং সামাজিক, অর্থনৈতিক,বৈজ্ঞানিক  ও ধর্মীয় বিষয়ে গবেষণা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা। 

৬. দুঃস্থ, পীড়িত, এতিম, অসহায় বয়স্ক ও পঙ্গু লোকদিগকে সাহায্য প্রদান করা। 

৭. সাধ্যানুযায়ী প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ, দুর্ভিক্ষ, মহামারী, ভূমিকম্প ও অন্যান্য আকষ্মিক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যাপক জনগোষ্ঠীকে ত্রাণ ও পূনর্বাসনে সহযোগিতা করা।  

৮. উপজেলার বয়স্ক, যুবক ও ছেলে মেয়েদের জন্য খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করা। 

৯. উপজেলার সমস্যাবলী যেমন দরিদ্র বেকারত্ব ও সমাজে অন্যান্য সমস্যাবলী দূরীকরণ এবং মানুষের স্বাস্থ্য নৈতিক চরিত্র উন্নয়নে সহযোগিতার চেষ্টা করা। 

১০. উপজেলার তথা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান ও সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার চেষ্টা করা। 

১১. উপজেলার ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলে অনুরূপ জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গঠনে সহায়তা করা। 

১২. উপজেলার ও অন্যান্য স্থানে বেওয়ারিশ লাশ দাফনে সহায়তা করা। 

১৩. সংগঠনের সদস্যদের কল্যানার্থে সমবায় ভিত্তিতে বহুমুখী আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংগঠনের নিয়ন্ত্রণে যে কোন প্রকার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, শিল্প, গৃহ নির্মাণ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠা করা। 

১৪. সমিতির উদ্দেশ্যাবলী সঠিক বাস্তবায়ন কল্পে বিভিন্ন পদক্ষেপ যেমন- খবরের কাগজ, সাময়িকী, বই বা প্রচারপত্র প্রচার করা। 

১৫. উপজেলার মেয়েদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তার কল্পে যথাযথ ব্যবস্থা ও তাহাদের বিভিন্ন সমস্যা দূরীকরণে সহায়তা করা। 

১৬. শিক্ষিত, বেকার, যুবক, অদক্ষ, নিরক্ষরদের চিহ্নিত ও সংগঠিত করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে কর্মসংস্থানে সহায়তা করা (নিবন্ধীকরণ সংস্থার অনুমোদনক্রমে)। 

১৭. চিকিৎসা কার্যক্রম : স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে অসুস্থ, গরীব দুঃখী মানুষের সু-চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল, ক্লিনিক স্থাপন করে চিকিৎসা প্রদান করা এবং কার্যকরী পরিষদের অনুমোদনক্রমে প্রতি বৎসর অবৈতনিক  ডাক্তার নিয়োগ করে সদস্যদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা। 

১৮. প্রতি বছর ইফতার মাহফিল ও দোয়া মাহফিল ও ঈদ পূর্ণমিলনীর আয়োজনের ব্যবস্থা করা। 

১৯. প্রতি বছর বনভোজনের আয়োজন করা ও মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদের পুরুস্কার প্রদান করে লেখা পড়ায় উৎসাহিত করা।   

২০. জরুরী প্রয়োজনে অসুস্থ্য মানুষের জন্য রক্তদান কর্মসূচি গ্রহণ করা।


ধারা- ৭

সদস্য/ সদস্যদের শ্রেণী বিভাগ 

১. আজীবন সদস্য। 

২. সাধারণ সদস্য। 


ধারা- ৮ 

সদস্য হওয়ার শর্তাবলী/যোগ্যতা 

১. ঢাকা ও অদূরের সংশ্লিষ্ট এলাকায় আক্কেলপুর উপজেলার বাসিন্দা নূন্যতম বয়স ১৬ বছর হতে উর্দ্ধে বসবাসকারী যে কোন ব্যক্তি (পুরুষ/মহিলা) ইহার সদস্য হতে পারবেন। 

২. সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত আবেদন পত্রের মাধ্যমে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এর বরাবরে কোষাধ্যক্ষের কাছে নির্ধারিত মোবাইল নম্বরে (বিকাশ/নগদ) বা নগদ অর্থ প্রেরণ করে আবেদন করতে হবে। 

৩. সাধারণ সদস্যদের জন্য এককালীন ২৫০/- (দুইশত পঞ্চাশ টাকা) এবং আজীবন সদস্যদের জন্য এককালীন ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার টাকা) সদস্য ফি জমা দিয়ে বা অনলাইনে আবেদন করতে হবে। 

৪. সংগঠনের আদর্শ ও উদ্দেশ্যাবলীতে অনুগত হতে হবে। 

৫. যদি কোন ব্যক্তির কার্যকলাপ সংগঠনের স্বার্থ বিরোধী সুস্পষ্ট প্রতিয়মান হয় তাহলে তাকে সদস্যভুক্ত করা হবে না। 

৬. ক) কেবল মাত্র আজীবন সদস্য ভোটাধিকার প্রয়োগ ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। 

খ) কার্যকরী কমিটির সকল সদস্যকে আজীবন সদস্য হতে হবে। 

গ) যে কোন সাধারণ সদস্য নির্ধারিত সদস্য ফি জমা দিয়ে আজীবন সদস্যে উন্নিত হতে পারবেন এবং ভোটাধিকার ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য যোগ্য হবেন। 

৭. ভদ্র, রুচিশীল, উদ্যোমী, সদাচারী ও মননশীল হতে হবে।  

৮. যারা স্বেচ্ছাসেবক মনোভাবাপন্ন এবং নিজেদের তথা দেশের ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করার লক্ষ্যে সমাজের উন্নয়নমূলক ও বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে সম্পক্ত কিংবা সম্পৃক্ত হতে ইচ্ছুক এবং নৈতিকতা বিরোধী কোনো কার্যক্রমে লিপ্ত নয়।  


ধারা-৯ 

সদস্যদের অযোগ্যতা, সদস্য পদ স্থগিত ও বাতিল 

১. যদি স্বেছায় পদত্যাগ করেন। 

২. যদি মানসিক ভারসাম্য হারান। 

৩. যদি পরপর ৫ (পাঁচ) টি সভায় (কার্যকরী কমিটির সদস্য) অনুপস্থিত থাকেন বা সমিতির কাজে নিষ্ক্রিয় ও অকর্মণ্য হয়ে পড়েন। 

৪. কার্যকরী কমিটির আজীবন সদস্যদের ক্ষেত্রে অসুস্থ্যতা, সাময়িক বিদেশে অবস্থান বা এমন কোন উপযুক্ত কারণ থাকিলে যা গ্রহণ যোগ্য সে ক্ষেত্রে সদস্য পদ স্থগিত বা বাতিল হবে না।  

৫. যদি সংগঠনের স্বার্থ পরিপন্থি কোন কাজ করেন বা তার স্বভাব, আচরণ সংগঠনের স্বার্থের পরিপন্থি হয় অথবা তহবিল তসরুফ করেন। 

৬. মৃত্যু হলে অথবা  মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে অথবা আদালত কর্তৃক সাজা প্রাপ্ত হলে। 

৭. কোন সদস্য সংগঠনে চাকরি গ্রহণ করলে তার সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে এবং কোন সদস্য সংগঠন হইতে বেতন-ভাতা গ্রহণ করলে সে ক্ষেত্রে সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে। তবে সমিতির কোন প্রকল্প গ্রহণ করলে কার্যকরি পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে পরিষদের কোন সদস্যকে প্রকল্পের দায়িত্ব প্রদান করা যাবে, তবে তাহাকে কোন নির্ধারিত বেতন-ভাতা দেয়া যাবেনা। পরিষদের অনুমোদনক্রমে সাময়িক সম্মানী ভাতা দেয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সদস্যপদ বাতিল হবে না। 


ধারা-১০ 

সদস্যদের অধিকার ও আচরন বিধি  

১. সাধারণ সদস্যগণ সংগঠনের প্রয়োজনে সাধারণ সভায় যোগদান করতে পারবেন। 

২. কোন সদস্য সংগঠনের নিকট ঋণী বা দায়ী থাকিলে তিনি কোন পদে প্রার্থী হতে পারবেন না। 

৩. প্রয়োজন বোধে নির্দিষ্ট সংখ্যক সদস্য ঐ বৎসরের কার্যকরী পরিষদের বিরুদ্ধে অনস্থা প্রস্তাব আনয়ন পূর্বক সাধারণ সভা আহ্বানের জন্য তলবী সভা ডাকিতে পারিবেন। তবে তলবী সভার সিদ্ধান্ত অবশ্যই নিবন্ধিকরণ সংস্থার অনুমোদিত হতে হবে। 

৪. কার্যকরী পরিষদের কোন সদস্য উক্ত বৎসরের বার্ষিক আয়-ব্যয় ও কার্যাবলীর বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ সাপেক্ষে গঠনমূলক সমালোচনা ও অনাস্থা আনতে পারবেন। 

৫. কার্যকরী পরিষদের কোন সদস্যের কার্যকলাপ, আচার ব্যবহার সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর বিবেচিত হইলে উপস্থিত সদস্যের ২/৩ অংশ ভোটে কার্যকরী পরিষদ তাহার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত সিদ্ধান্ত নিবন্ধিকরণ সংস্থার অনুমোদন নিতে হবে। 


ধারা-১১ 

সদস্য পদ পূর্নবহাল  

যে কোন সদস্য সাধারণ সদস্যপদ বা আজীবন সদস্য পদ হারালে তার ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলে এমন সদস্যকে নতুন করে আবেদন করতে হবে। তার সদস্যপদ পুনরায় প্রদানের জন্য কার্যকরী পরিষদের সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কার্যকর করতে হবে। 


ধারা-১২ 

পৃষ্ঠপোষক 

সমাজের, প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি বা যে․থভাবে যে কেউ সংগঠনের প্রতি সহানুভূতিশীল এককালীন সর্বনিম্ন  ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা (উর্ধ্বসীমা নেই) প্রদান করিবেন তাহাকে সমিতির পৃষ্ঠপোষক করা যাবে। একাধিক পৃষ্ঠপোষক মনোনীত করা যাবে। তবে পৃষ্ঠপোষকের কোন ভোটাধিকার বা সংগঠনকে নিয়ন্ত্রণ করতে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। 


ধারা-১৩ 

সাংগঠনিক কাঠামো  

সংগঠনের ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠভাবে  কার্য পরিচালনার জন্য সাংগঠনিক কাঠামো হবে ৩টি।

যেমন  

১) সাধরণ পরিষদ 

২) কার্যকরী পরিষদ 

৩) উপদেষ্টা পরিষদ 

সাধারণ পরিষদ 

সকল সদস্য নিয়ে গঠিত হবে সাধারণ পরিষদ তবে সাধারণ পরিষদে সদস্যদের সংখ্যার কোন উধ্বসীমা থাকবে না। 

কার্যকরী পরিষদ  

আজীবন সদস্যদের নিয়ে কার্যকরী পরিষদ ৩ বৎসরের জন্য ১ (একটি) নূন্যতম ২৯ হতে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন করবেন। সর্বোচ্চ ৫১ সদস্যের সীমারেখে কার্যকরী পরিষদের সংখ্যা অবশ্যই নিম্নলিখিত পদ নিয়ে গঠিত হবে। প্রয়োজনে কার্যকরী পরিষদ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে নতুন পদ সৃষ্টি, বিলুপ্ত বা সৃষ্টপদে জনবল সংখ্যা বাড়াতে বা কমাতে পারবে। 

পদ সমূহ 

১) সভাপতি - ০১ জন।                         

২) সহ-সভাপতি - ০২ জন।                   

৩) সাধারণ সম্পাদক - ০১ জন।             

৪) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক - ০২ জন।           

৫) সাংগঠনিক সম্পাদক - ০৭ জন  

৬) কোষাধ্যক্ষ - ০১ জন ।                  

৭) দপ্তর সম্পাদক - ০১ জন।        

৮) আইন সম্পাদক - ০১ জন।          

৯) প্রচার সম্পাদক - ০১ জন। 

১০) সাংস্কৃতিক ও প্রকাশনা সম্পাদক - ০১ জন। 

১১) ক্রীড়া সম্পাদক - ০১ জন। 

১২) মহিলা সম্পাদিকা - ০১ জন। 

১৩) তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক - ০১ জন। 

১৪) কার্যকরী নির্বাহী সদস্য - নূন্যতম ১০ জন তবে ১৫  জনের অধিক নয়। 


ধারা-১৪ 

উপদেষ্টা 

১. কার্যকরি পরিষদ উপদেষ্টা সংখ্যা বৃদ্ধি বা হ্রাস বা উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করতে পারবেন। সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সুষ্ঠভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিশিষ্ট, দক্ষ, সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ও সুনামধন্য ব্যক্তিবর্গ বা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য উপদেষ্টা পরিষদ করা যাবে। 

২. কার্যকরি পরিষদ প্রয়োজনে সকল উপদেষ্টা/উপদেষ্টা পরিষদের মেয়াদকাল, দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারিত কার্যক্রমের মেয়াদ শেষে বিলুপ্ত করতে পারবেন। 


ধারা-১৫ 

সমিতির শাখা  

নিবন্ধিকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে সংগঠনের শাখা অফিস খোলা যাবে। শাখাসমূহ পরিচালনার জন্য কার্যকরী পরিষদ যেভাবে যাহাকে দায়িত্ব প্রদান করবেন সেই ভাবে শাখা চলিবে এবং কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্তে উহা বন্ধ করা যাইবে। বন্ধ করলে বন্ধের কারণ উল্লেখ করে ৩০ দিনের মধ্যে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে। 


ধারা-১৬ 

বর্ষ 

প্রতি বৎসর ১ জানুয়ারী হইতে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংগঠনের বর্ষ গণনা করা হবে। 


ধারা-১৭ 

কার্যকরী পরিষদের ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কার্যাবলী 

কার্যকরী পরিষদ সংগঠনের যাবতীয় উন্নতি উহার উদ্দেশ্য সফল করার জন্যনিম্নলিখিত দায়িত্ব পালন করবেন। 

১. সংগঠনের প্রয়োজনীয় খরচের অনুমোদন করা। 

২. বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য উপ-কমিটি গঠন করা। 

৩. সভার তারিখ, দিন, সময়, স্থান এবং বিষয় নির্ধারণ করা। 

৪. সংগঠনের সকল হিসাব নিকাশ, খরচের ভাউচার, ক্যাশ বই, ব্যাংক একাউন্ট সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করা। 

৫. নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করা এবং সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বেতন নির্ধারণ করা। 

৬. সংগঠনের প্রশাসনিক, আর্থিক ও পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ন্ত্রণ করা।  

৭. সকল প্রশাসনিক, ব্যবস্থাপনা পরিচালনা, প্রকল্প গ্রহণ, বাস্তবায়ন এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দায়িত্ব নির্ধারণ করা। 

৮. ধারা ৮ অনুযায়ী কোন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল বা পুনবহাল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করা। 

৯. সাধারণ ভাবে প্রতি মাসে ১ টা করে কার্যকরী পরিষদের সভা করার ব্যবস্থা করা। মাসিক সভার নোটিশ কমপক্ষে ৩ দিন আগে এবং জরুরী সভায় নোটিশ ১ দিন আগে করার ব্যবস্থা করা। 

১০. ১/৩ অংশ সদস্যের উপস্থিতি নিশ্চিত করা (কোরাম পূর্ণ হবে)। 

১১. প্রয়োজনবোধে কোন বিশেষ ক্ষেত্রে নিয়মাবলী প্রণয়ন করা। 

১২. সাধারণ সম্পাদক বার্ষিক রিপোর্ট ও হিসাব পরীক্ষকের রিপোর্ট বিবেচনা করা। 

১৩. কার্যকরী পরিষদের কোন সদস্য পরপর ৫ টি সভায় কোন কারণ ব্যতিরেকে উপস্থিত না হইলে তাহাকে নিয়মিত নোটিশ প্রদান করা। 

১৪. নোটিশ নিশ্চিত করার পর কোন সদস্য সভায় উপস্থিত না হলে তাহার সদস্যপদ বাতিল করা। বাতিল আসনে নিয়মিত কোন সাধারণ সদস্যকে খালি আসনে মনোনীত করা। 

১৫. সভাপতির পদ শূন্য হলে কার্যকরী পরিষদ চলতি বৎসরের সহ-সভাপতির মধ্য হইতে পরবর্তী সময়কালের একজন অস্থায়ী সভাপতি মনোনীত করা। 


ধারা-১৮ 

কার্যকরী পরিষদে বিভিন্ন পদে সদস্যদের ক্ষমতা ও কার্যাবলী  

১. সভাপতি 

ক) তিনি সংগঠনের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি গঠনতন্ত্রের যে কোন ব্যাখ্যা দান করবেন তবে তা যুক্তিসংগত ও গ্রহনযোগ্য হতে হবে।  তিনি সংগঠনের সকল প্রকার সভা পরিচালনা ও সভার সভাপতিত্ব করবেন। 

খ) সভা পরিচালনার কাজে তার পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে এবং কার্যকরী পরিষদের সদস্যবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে সংগঠনের নিয়মাবলী নির্ধারণ করবেন। 

গ) কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তিনি বিভিন্ন বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সকল প্রকার যোগাযোগ ও আদান প্রদানের তদারকি করবেন। 

ঘ) সুষ্ঠ প্রশাসনিক ব্যবস্থার স্বার্থে ধারা-১৭ এর ৫ অনুসরণ পূর্বক সংগঠনের সকল কর্মচারীদের নিয়োগ করতে পারবেন এবং কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মচ্যুতি, ছাটাইয়ের চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী হবেন। তবে সকল ব্যবস্থার পূর্বে কার্যকরী পরিষদের অনুমোদন নিবেন। 

২. সহ সভাপতি  

সভাপতির অনুপস্থিতিতে তিনি তার দাযিত্ব পালনসহ অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন। 

৩. সাধারণ সম্পাদক  

ক) তিনি সংগঠনের সাংগঠনিক নির্বাহী প্রধান হিসাবে কাজ করবেন। 

খ) তিনি সংগঠনের কার্যক্রম-কর্মসূচী প্রণয়ন ও প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকরী পরিষদে সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করবেন। 

গ) সকল প্রকার বিল, ভাউচার, লেনদেন, কাগজপত্র পরীক্ষা করে নিজে অনুমোদনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করবেন এবং যাবতীয় হিসাবের জন্য সম্পূর্ণ দায়ী থাকবেন। 

ঘ) সভাপতির পরামর্শক্রমে সকল ধরনের সভা আহ্বানের দিন, তারিখ, সময়, স্থান ও বিষয় নির্ধারণ করে নোটিশ বিতরণের ব্যবস্থা করবেন। 

ঙ) কোষাধ্যক্ষ কর্তৃক ন্যস্ত যে কোন কর্তব্য পালনসহ কর্তব্য পালন করবেন। 

চ) তিনি বার্ষিক কার্যবিবরণী প্রস্তাব করবেন এবং বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ও অডিট রিপোর্ট কার্যকরী পরিষদে ও সাধারণ সভায় পেশ করবেন। 

(ছ) তিনি বৎসরের জন্য সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের একটি বাজেট ‣তরি করে অনুমোদনের জন্য কার্যকরী পরিষদের নিকট পেশ করবেন। 

(জ) তিনি সভাপতির স্বাক্ষরিত সংগঠনের জিসিনপত্রের একটা রেজিস্টার রাখিবেন এবং দায়িত্বভার অর্পনকালে পরবর্তী কর্মকর্তার নিকট কাগজপত্র বুঝাইয়া দিবেন। 

(ঝ) সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ এর সাথে ব্যাংকের লেনদেন যে․থ স্বাক্ষরদাতা হবেন। 

৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের বিভিন্ন কাজে সাধারণ সম্পাদককে সর্বোতভাবে সাহায্য করবেন এবং সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক প্রদত্ত বিশেষ দায়িত্ব পালন করবেন। সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে ক্রমিক নং অনুযায়ী তাহার দায়িত্ব পালন করবেন। কার্যকরি পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন। 

৫. সাংগঠনিক সম্পাদক  

তিনি সংগঠনের উন্নয়ন কল্পে সকল ধরণের সদস্যগণের সঙ্গে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করবেন। তিনি সংগঠনের নিয়ম কানুন বিধি ও উপবিধি সংরক্ষণ ও তদারকি করবেন, সংগঠনকে শক্তিশালী, জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করার লক্ষ্যে যা কিছু করার প্রয়োজন তা তিনি পালন করবেন, কার্যকরী পরিষদের অনুমোদনক্রমে সংগঠনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ তিনি পালন করবেন। সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। সংগঠনের শৃঙ্খলা এবং ব্যাপ্তি ঘটানোর জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করাই তার প্রধান কাজ। 

৬. কোষাধক্ষ্য 

ক) তিনি সংগঠনের সকল আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করবেন। 

খ) তিনি সকল প্রকার চাঁদা, বিশেষ চাঁদা, অনুদান, সরকারী-বেসরকারী সংস্থার সাহায্য সংগঠনের ছাপানো রশিদের মাধ্যমে গ্রহণ করবেন এবং সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অবগত করে সংগঠনের অ্যাকাউন্টে জমা রাখবেন। 

গ) জরুরী খরচের জন্য সভপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জ্ঞাতনুসারে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা পর্যন্ত হাতে রাখতে পারবেন। 

ঘ) সাধারণ সভায় অর্থ বিষয়ক রিপোর্ট পেশ করবেন। 

ঙ) তিনি তার কাজের জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তথা কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়বদ্ধ থাকবেন। 

চ) তিনি সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক এর যুক্ত স্বাক্ষরে ব্যাংক হইতে টাকা উঠাতে পারবেন। 

ছ) কোষাধক্ষ্যের অনুপস্থিতিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যুক্ত স্বাক্ষরে ব্যাংক হতে টাকা উঠানো যাবে। 

৭. দপ্তর সম্পাদক 

সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদকের অনুমোদনক্রমে সংগঠনের উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে যে কোন ব্যক্তি বা সংস্থার সাথে চিঠি পত্র আদান প্রদান করবেন। অফিসের যাবতীয় কাজ তাহার হাতে ন্যস্ত থাকবে। তিনি দাপ্তরিক সকল কার্যক্রম চালাইয়া যাইবেন। সকল সভা কার্য দিবসের নোটিশ সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি সাপেক্ষে সকল সদস্যকে অবহিত করবেন। সংগঠনের সকল প্রকার প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্রাদি নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ, রিপোর্ট তৈরি, সংগঠনের স্বার্থে গোপনীয়তা রক্ষা বা প্রচারের জন্য প্রেস রিলিজ প্রস্তুত করবেন। 

৮. আইন সম্পাদক  

তিনি সংগঠনের আইন বিষয়ে যাবতীয় শলা পরামর্শ প্রদান করবেন। কার্যকরী পরিষদের অনুমোদনক্রমে তিনি সংগঠনের অসহায় গরীব সদস্যদের আইনী সহায়তা দিবেন। সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে আইনী জটিলতায় পড়লে তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে আইন বিষয়ে পরামর্শ করে কার্যকরী পরিষদে অবহিত করবেন। 

৯. প্রচার সম্পাদক  

তিনি সংগঠনের আদর্শ-উদ্দেশ্য, কার্যক্রম সংগঠনের সদস্যদের জানানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করবেন। তিনি সংগঠনের সাধারণ সভা/ বিশেষ সাধারণ সভা ও অন্যান্য কার্যক্রম প্রচারে সর্বাত্মকভাবে কাজ করবেন। প্রধানতঃ দপ্তর সম্পাদক কর্তৃক প্রস্তুত কোন নোটিশ, বিজ্ঞাপন বা জরুরী প্রয়োজনে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রচারযোগ্য বিষয়াদি সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি সাপেক্ষে প্রচারের ব্যবস্থা করবেন। 

১০. সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য প্রকাশনা সম্পাদক  

তিনি সংগঠনের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের পরিকল্পনা করে কার্যকরী পরিষদের অনুমোদনক্রমে বাস্তবায়ন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। উপজেলা বা সংগঠনের সদস্যদেরকে বৃহৎ পরিসরে বা জাতীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অবদান রাখার জন্য পরিষদের অনুমোদনক্রমে সহায়তা করবেন। 

১১. ক্রীড়া সম্পাদক  

তিনি বৎসরে অন্তত এক বার ক্রীড়া বিষয়ক কর্মসূচী বাস্তবায়ন করবেন এবং সংগঠনের ক্রীড়া বিষয়ক দায়িত্ব পালন করবেন। 

১২. মহিলা সম্পাদিকা 

তিনি মহিলা বিষয়ক সংগঠনের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন। 

১৩. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক  

তিনি তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক যাবতীয় কার্যক্রম ও সংগঠনকে সহায়তা প্রদান করবেন। বর্তমানবিশ্বায়নের যুগে তথ্য ও প্রযুক্তি মানুষের দৈনন্দিন  জীবনের অংশ হওয়ায় এর অপরিসীম গুরুত্ব বেড়েছে। প্রতি নিয়ত আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় কর্মকান্ড সংগঠনের পক্ষে পরিচালনা করিবেন। 

১৪. কার্যকারী নির্বাহী সদস্য  

নির্বাহী সদস্যবৃন্দ সংগঠনের সকল সাধারণ সভায় উপস্থিত থেকে এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন। সংগঠনের স্বার্থে সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশ ক্রমে কোন বিষয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত হলে তা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। 


ধারা-১৯ 

সভার নিয়মাবলী  

১. সাধারণ সভা 

ক) সাধারণ সভা প্রতি এক বছর পরপর অনুষ্ঠিত হইবে। ১৫ (পনের)-দিনের নোটিশ এবং মোট সদস্যদের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।) 

খ) বিশেষ কারণে কোরামে অভাবে নির্দিষ্ট তারিখে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হইলে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে একই স্থানে একই সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে। 

গ) সাধারণ সভায় সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট ও সংগঠনের আয়-ব্যয়ের হিসাব কার্যকরী পরিষদের সভায় পরীক্ষিত হিসাবে অনুমোদন করবেন। 

২. কার্যকরি পরিষদের সভা 

কার্যকরী পরিষদের সভা মাসে একবার অনুষ্ঠিত হবে। মোট সদস্যের ১/৩(এক তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হইবে। ৭ (সাত) দিনের নোটিশে কার্যকরী পরিষদের সভা আহ্বান করতে পারবেন। তবে বিশেষ কারণে ২ মাসে ও ১ বার কার্যকরী পরিষদের সভা আহ্বান করতে পারবেন। 

৩. বিশেষ সারধণ সভা 

যে কোন কারণে বিশেষ সাধারণ সভা ৭ (সাত) দিনের নোটিশে আবহবান করা যাবে। তবে এ সভায় বিশেষ এজেন্ডা ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। বিশেষ এজেন্ডা বিষয় 

লিপিবদ্ধ করে নোটিশ প্রদান করতে হবে। মোট সদস্যের ১/৩ (এক তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। 

৪. জরুরী সভা 

সংগঠনের সাধারণ পরিষদের সভা ৭ (সাত) দিনের নোটিশে এবং কার্যকরী পরিষদের জরুরী সভা ৩ (তিন) দিনের নোটিশে আহ্বান করতে পারবেন। তবে প্রত্যেক সভায় মোট সদস্যের ১/৩ (এক তৃতীয়াংশ) উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। 

৫. তলবী সভা 

ক) কমপক্ষে মোট সসদ্যের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্য বিশেষ সাধারণ সভা এজেন্ডা বা উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে হবে ও স্বাক্ষর দান করে তলবী সভার আবেদন সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে জমা দিতে পারবেন। 

খ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তলবী সভার আবেদন প্রাপ্তির ২১ দিনের মধ্যে তলবী সভার আহ্বান না করলে তলবী সদস্যবৃন্দ নোটিশ জমার ২১ দিন পর ১৫ দিনের নোটিশে সভা আহ্বান করতে পারবেন। তবে তলবী সভা সংগঠনের অফিসে ডাকতে হবে। মোট সদস্যের ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। 

৬. মূলতবী সভা 

ক) সাধারণ সভায় নির্ধারিত সময়ের সর্বোচ ২ (দুই) ঘন্টার বিলম্বে সভা করা যাবে, অন্যথায় স্থগিত করতে হবে। 

খ) সাধারণ সভা কোরামের অভাবে স্থগিত করলে ৩০ দিনের মধ্যে স্থগিত সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং ঐ সাধারণ সভা কোরাম না হলে যতজন সদস্য উপস্থিত থাকবেন তাদের নিয়েই সভা অনুষ্ঠিত ও তাদের মতামত/সিন্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। 

গ) কার্যকরী পরিষদের সভা দুইবার কোরামের অভাবে স্থগিত হলে তৃতীয়বার উপস্থিত সদস্যদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে এবং সাধারণ সদস্য হতে কো-অপ্ট করে কার্যকরী পরিষদের ৫টি পর্যন্ত পূর্ণ সদস্যপদ অবশ্যই পূরণ করতে হবে। 


ধারা- ২০ 

সংগঠনের আয়  

ক. ১) সদস্য ফি। 

২) ব্যক্তি, দেশি, বিদেশী সংস্থা সমূহ বা কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান এবং সরকার হতে অনুদান। 

৩) যে কোন তফসিলী ব্যাংক বা ফাউন্ডেশন বা সরকার অনুমোদিত কোন সংস্থা হতে ঋণ গ্রহণ করা যাবে। 

৪) সংগঠনের পরিচালিত কোন প্রকল্প থেকে আয়। 

খ) আর্থিক বছর শেষে তহবিলের অর্থ বা জমাকৃত তহবিলের অর্থ সদস্যদের মাঝে বন্টন করা যাবে না। শুধুমাত্র সংগঠনের উদ্দেশ্যে ও লক্ষ্যে অর্জনের ক্ষেত্রে এবং কল্যাণমুখী কাজে খরচ করা যাবে। 

গ) এই তহবিলের অর্থ বিপদের সময় বা সংগঠন সংক্রান্ত মামলার খরচের জন্য ব্যয় করা যাবে। তাছাড়া সংগঠনের স্বার্থে ও উন্নয়নের যে কোন ধরনের কাজের প্রকৃত খরচ বা সেবার জন্য ব্যয়/দান করা যাবে। 


ধারা-২১ 

আর্থিক ব্যবস্থাপনা  

১. সংগঠনের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এলাকাস্থ বাংলাদেশী যে কোন সিডিউল ব্যাংকে সংগঠনের নামে একটি চলতি/সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে হবে। 

২. উক্ত চলতি/সঞ্চয়ী হিসাবটি সংগঠনের সভাপতি, সধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ এই তিন জনের যে․থ স্বাক্ষরে খোলা হবে। তবে সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ এর মধ্যে যে কোন দু’জনের স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করা যাবে। 

৩. সদস্যরা সংগঠনের নামে সংগৃহীত অর্থ কোন অবস্থাতেই হাতে রাখা যাবে না। অর্থ প্রাপ্তির সাথে সাথে নগদ/চেকের অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিতে হবে। সংগঠনের কাজের স্বার্থে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা পর্যন্ত হাতে রাখা যাবে। 

৪. দৈনন্দিন কাজে খরচ মিটানোর জন্য সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক সর্বোচ্চ ১৫,০০০/- (পনের হাজার) টাকা মাত্র ব্যয় এর অনুমোদন করতে পারবেন। 

৫. সংগঠনের উন্নয়নকল্পে এবং জরুরী দুর্যোগের সময় কাজ কর্ম যাহাতে অব্যাহত থাকতে পারে সে জন্য একটি রিজার্ভ ফান্ড গঠন করতে পারবেন। 

৬. প্রতি বৎসর আদায় অর্থের ১০ ভাগ রিজার্ভ ফান্ডে রাখা যাবে। 

৭. উক্ত রিজার্ভ ফান্ডের টাকা সাধারণ কোন কাজে খরচ করতে পারবেন তবে বিশেষ দরকার হলে কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফান্ডের যে কোন পরিমাণ অর্থ খরচ করা যাবে। 

৮. সাধারণ সম্পাদকের যাবতীয় ছাপানো রশিদ বহির মাধ্যমে সংগঠনের যাবতীয় চাঁদা ও অন্যান্য আদায় করতে হবে। 

৯. আদায়কৃত চাঁদা/অনুদান কোন সদস্য ৩ (তিন) দিনের বেশি নিজের নিকট রাখতে পারবেন না। 

১০. কোন সদস্য দ্বারা চাঁদা আদায়ের রশিদ বহি হারানো গেলে ঐ বহির মাধ্যমে আদায়কৃত সম্পূর্ণ অর্থ তদন্ত সাপেক্ষে জমা করতে হবে। 


ধারা-২২

অডিট  

সংগঠনের ত্রি-বার্ষিক হিসাব নিকাশ নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ মনোনীত সমাজ সেবা কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যে কোন অডিট ফার্ম দ্বারা বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষা করাতে হবে। প্রত্যেক ৩ বছরে নিরীক্ষা যথাসময়ে সম্পন্ন করে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর কার্যকরী বলে বিবেচিত হবে। 


ধারা-২৩

গঠনতন্ত্র সংশোধন  

সংগঠনের গঠনতন্ত্রের যে কোন বিষয়ের উপর সংশোধনী আনয়ন, সংযুক্ত করণের জন্য সাধারণ সভা বা বিশেষ সাধারণ সভার ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্যের অনুমোদন নিতে হবে, আজীবন সদস্যদের অনুমোদন ও নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর কার্যকরী বলে বিবেচিত হবে। 


ধারা-২৪

নির্বাচন পদ্ধতি  

১) প্রতি ৩ (তিন) বৎসর অন্তর সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের কর্মকর্তা বা সদস্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 

২) সকল আজীবন সদস্যবৃন্দের প্রস্তাবনা ও সমর্থনে বা প্যানেলের মাধ্যমে বা গোপন ব্যালেটের মাধ্যম অথবা ঐক্যমতের ভিত্তিতে কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন বা মনোনীত হবে। কার্যকরী পরিষদ গঠন করে ৩ (তিন) মাসের মধ্যে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। 

৩) মেয়াদঃ নির্বাচিত বা মনোনীত হওয়ার দিন হতে পরবর্তী ৩ (তিন) বৎসরের মেয়াদে কার্যকরী পরিষদ হবে। তবে কোন কারণে সাধারণ সভায় কো-অপ্টকৃত পদসমূহের অনুমোদন গ্রহণ করতে এবং কো- অপ্ট এর সাথে সাথে নিবন্ধকনকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। 


ধারা-২৫ 

নির্বাচন কমিশন 

নির্বাচন পরিচালনার জন্য উপদেষ্টা সদস্যবৃন্দের মধ্য হতে কমপক্ষে ৩ (তিন) জনকে নিয়ে (যারা কার্যকরী পরিষদের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন না এমন) বা সংগঠনের সদস্য নন এমন ৫ (পাঁচ) জনকে দিয়ে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করে সংগঠনের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন আহ্বান ও পরিচালনা করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের সদস্যবৃন্দ একজনকে আহ্বায়ক মনোনীত করতে হবে এবং অন্য সদস্যবৃন্দ সহকারী নির্বাচন কমিশনের সদস্য হয়ে নির্বাচন কার্য পরিচালনা করবেন। 


ধারা-২৬ 

ভোটের নিয়মাবলী  

ক) এক ব্যক্তি একটি পদে প্রার্থী হতে পারবেন এবং একটি পদে জন্য একটি ভোট প্রদান করতে পারবেন। 

খ) নির্বাচনের ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী তফসীল ঘোষণা করবেন। এবং ভোটার তালিকা আজীবন সদস্যদের সুবিধার জন্য সংগঠনের ওয়েবসাইট ও কার্যালয়ে ঝুলাইয়া রাখবেন। 

গ) যদি একটি পদে দুইজন প্রার্থী সমান সংখ্যাক ভোট পান তাহলে নির্বাচন কমিশন সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারীর মাধ্যমে জয় পরাজয় নির্ধারণ করবেন। 

ঘ) নির্বাচিত বিষয়ে কমিশন কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে বিবেচিত হবে। 

ঙ) নির্দিষ্ট পদে প্রয়োজনে এককভাবে বা প্যানেল আকারে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করা যাবে। 

চ) কোন পদে একাধিক প্রার্থী না থাকলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ী হবেন। 

ছ) ভোটা ভোটির প্রয়োজন না হলে নির্বাচন কমিশন সিলেকশনের মাধ্যমে পূর্নাঙ্গ ত্রি-বার্ষিক কার্যকরী কমিটি গঠন করতে পাবেন। 


ধারা-২৭ 

জরুরী আইন  

ক) যদি কোন জরুরী অবস্থায় সাধারণ নির্বাচন সম্ভবপর না হয় তবে সংগঠনের কার্যাবলী অব্যাহত রাখার জন্য কার্যকরী পরিষদ বা সভাপতি কার্যকরী পরিষদের কার্যকাল সাময়িকভাবে বর্ধিত করিতে ক্ষমতাবান হইবেন। 

খ) কোন জরুরী অবস্থায় সাধারণ নির্বাচন সম্ভবপর না হয় তবে কার্যকরী পরিষদ ৬ (ছয়) সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করিবেন এবং আহবায়ক কমিটি ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে ক্ষমতা অপর্ণ করবেন। 

গ) যে কোন যুক্তিসঙ্গত বা জরুরী কারণে সভাপতি সংগঠনের কোন সভা বা নির্বাচনের তারিখ, সময়, স্থান পরিবর্তন করতে পারবেন। 

ঘ) জরুরী অবস্থায় গৃহীত কোন সিদ্ধান্ত অবগত করনের লক্ষ্যে সংগঠনের নোটিশ বোর্ডে, ওয়েবসাইট, এসএমএস, ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ বা প্রয়োজনে পত্রিকার মাধ্যমে অবশ্যই প্রদান করতে হবে। 


ধারা-২৮ 

আইনগত বাধ্যবাধকতা  

অত্র গঠনতন্ত্রে যা কিছু উল্লেখ থাকুক না কেন সংগঠন ১৯৬১ সালের ৪৬ নং অধ্যাদেশের আওতায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী সকল কার্যক্রম পরিচালনা হবে। অন্যান্য কার্যক্রম সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকরী হবে। 


ধারা-২৯ 

বিবিধ 

মহান আল্লাহ্ তায়ালার উপর অগাত  বিশ্বাস রেখে “ঢাকাস্থ আক্কেলপুরবাসী” সংগঠনের সকল সদস্যের জ্ঞানতঃ সততা, বিনয়ী ও আস্থা, কর্তব্য পরায়ণসহ দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে বিপদ-আপদে সংগঠনের কার্যকরী পরিষদসহ সবাই একে অপরের পাশে থাকার চেষ্টা করবে এবং নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার অঙ্গীকারবদ্ধ থাকতে হবে।  


ধারা-৩০ 

সংগঠনের অবলুপ্তি  

ক) যদি কোন সুনির্দিষ্ট সন্তোষজনক কারণে মোট ২/৩ (দুই-তৃতীয়াংশ) ভাগ সদস্য সংগঠনের বিলুপ্তি চান তাহলে উক্ত সদস্যবৃন্দের স্বাক্ষর সম্বলিত আবেদন নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট করতে হবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। 

খ) বিলুপ্তি সিদ্ধান্ত ঘোষণা হলে সংগঠনের যাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি ও অর্থ হইতে দায় দেনা রিশোধের পর বাকী সম্পদ কোন জনকল্যাণ মূলক প্রতিষ্ঠানের প্রদান করা যাবে এবং খবরের কাগজসহ 

সকল সম্ভাব্য মাধ্যমে প্রকাশ করার ব্যবস্থা করতে হবে। 

গঠনতন্ত্র PDF ডাউনলোড

“সমাপ্ত”